১২ বছর পর বিপিএলে ফিরছে খেলোয়াড় নিলাম

১২ বছর পর আবারও বিপিএলে ফিরছে খেলোয়াড় নিলাম পদ্ধতি। এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। ২০১২ ও ২০১৩ সালের প্রথম দুই আসরে নিলামের মাধ্যমে দল গঠিত হলেও পরবর্তী নয়টি আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে প্লেয়ার্স ড্রাফট পদ্ধতিতে।

আগামী ২৩ নভেম্বর রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হবে এবারের নিলাম। আগের আসরগুলোতে সাতটি দল অংশ নিলেও এবারের বিপিএলে খেলবে পাঁচটি দল। এর মধ্যে পুরনো দুটি হলো রংপুর রাইডার্স (মালিক—টগি স্পোর্টস) ও ঢাকা ক্যাপিটালস (চ্যাম্পিয়ন স্পোর্টস)। নতুন তিনটি দল হলো চট্টগ্রাম রয়্যালস (ট্রায়াঙ্গল সার্ভিসেস), রাজশাহী ওয়ারিয়র্স (নাবিল গ্রুপ) এবং সিলেট টাইটান্স (ক্রিকেট উইথ সামি)। এই নিলামের মাধ্যমেই তারা গঠন করবে বিপিএলের ১২তম আসরের দল।

বিসিবি ও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের যৌথ আয়োজনে এবার শুরু হচ্ছে ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকানার নতুন চক্র। বিসিবির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লীগগুলোর মান বজায় রাখতে এবারের নিলামে আনা হচ্ছে পুনর্গঠিত ও স্বচ্ছ দরপত্র প্রক্রিয়া।

নতুন নিলাম কাঠামো অনুযায়ী স্থানীয় ক্রিকেটারদের ভাগ করা হবে ছয়টি বিভাগে এবং বিদেশিদের পাঁচটি বিভাগে। স্থানীয়দের সর্বোচ্চ ‘এ’ ক্যাটাগরির ভিত্তিমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ লাখ টাকা, যেখানে দাম বাড়ানো যাবে ৫ লাখ টাকা করে। বিদেশি ক্রিকেটারদের সর্বোচ্চ ক্যাটাগরির ভিত্তিমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ হাজার মার্কিন ডলার, দাম বাড়ানো যাবে ৫ হাজার ডলার করে।

প্রতিটি দল নিলামের আগে সরাসরি চুক্তিতে সর্বোচ্চ দুইজন দেশি (এ ও বি ক্যাটাগরি থেকে) এবং এক বা দুইজন বিদেশি ক্রিকেটার দলে নিতে পারবে, তবে তা হতে হবে গভর্নিং কাউন্সিলের অনুমোদনসাপেক্ষে।

নিলাম প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত হবে দুই ধাপে—প্রথমে স্থানীয় খেলোয়াড়দের নিলাম, পরে বিদেশি খেলোয়াড়দের নিলাম। প্রতিটি দলকে নিলাম থেকে অন্তত ১১ জন দেশি খেলোয়াড় নিতে হবে, সর্বোচ্চ সীমা ১৫ জন। সরাসরি চুক্তিবদ্ধ খেলোয়াড়দের এই তালিকার বাইরে রাখা হবে।

সরাসরি চুক্তির অর্থ বাদে স্থানীয় খেলোয়াড়দের জন্য প্রতিটি দলের বাজেট সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা। বিদেশি খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে এক দলে যতজন ইচ্ছা নিবন্ধন করানো যাবে, তবে মাঠে একাদশে থাকতে পারবে ২ থেকে ৪ জন। প্রতিটি দলকে নিলাম থেকে অন্তত দুইজন বিদেশি খেলোয়াড় কিনতে হবে। বিদেশিদের জন্য মোট বাজেট সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার, যেখানে সরাসরি চুক্তিবদ্ধ খেলোয়াড়দের অর্থও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।