ভারতের নতুন বাজেটে বাংলাদেশের জন্য উন্নয়ন সহযোগিতা ও বিভিন্ন প্রকল্পের অনুদান ব্যাপকভাবে কমিয়ে আনা হয়েছে। রোববার ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের (এপ্রিল-মার্চ) বাজেট উপস্থাপন করেন, যাতে বাংলাদেশের জন্য মাত্র ৬০ কোটি ভারতীয় রুপি অনুদান বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
এটি গত অর্থবছরের প্রাথমিক বাজেটের চেয়ে অর্ধেকেরও কম। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেটে বাংলাদেশের জন্য ১২০ কোটি রুপি অনুদান নির্ধারণ করা হয়েছিল, যদিও পরবর্তীতে সংশোধিত বাজেটে তা কমিয়ে ৩৪ কোটি ৪৮ লাখ রুপিতে নামিয়ে আনা হয়। অর্থাৎ, নতুন বাজেটে পূর্বের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় বরাদ্দ বাড়লেও, মূল বাজেটের তুলনায় তা এখনো অনেক কম।
দুই দেশের মধ্যে সাম্প্রতিক কূটনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই বাজেট কাটছাঁটকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে সামগ্রিকভাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে বৈদেশিক অনুদানের বরাদ্দ আগামী বছর কিছুটা বাড়ানো হয়েছে। নতুন বাজেটে এ খাতের জন্য ৫ হাজার ৬৮৫ কোটি ৫৬ লাখ রুপি রাখা হয়েছে, যা গত বছরের ৫ হাজার ৪৮৩ কোটি রুপির চেয়ে বেশি।
দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলোর জন্য ভারতের বরাদ্দে এবারও ভুটান শীর্ষে রয়েছে। ভুটানের জন্য ২ হাজার ২৮৮ কোটি ৫৬ লাখ রুপি বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়া, নেপালের জন্য ৮০০ কোটি, মালদ্বীপের জন্য ৫৫০ কোটি, শ্রীলঙ্কার জন্য ৪০০ কোটি, মিয়ানমারের জন্য ৩০০ কোটি এবং আফগানিস্তানের জন্য ১৫০ কোটি রুপি বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
