দেশের তথ্যপ্রযুক্তি, বিপিও এবং আইটিইএস খাতকে আন্তর্জাতিক বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত সহায়তা ও প্রণোদনা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কন্ট্যাক্ট সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিংয়ের (বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কন্ট্যাক্ট সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং) সভাপতি তানভীর ইব্রাহীম।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বৈশ্বিক আউটসোর্সিং শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে বিপিও ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিদ্যমান কর অব্যাহতির সুবিধা ২০৩১ সাল পর্যন্ত বহাল রাখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে কর অব্যাহতি গ্রহণের প্রক্রিয়া আরও সহজ ও ব্যবসাবান্ধব করার আহ্বান জানান তিনি।
তানভীর ইব্রাহীমের মতে, রপ্তানিমুখী প্রযুক্তি খাতের প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে রপ্তানি প্রণোদনা বৃদ্ধি এবং উৎসে ভ্যাট প্রত্যাহারের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া উচিত। এতে খাতটির উদ্যোক্তা ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো আরও কার্যকরভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে কাজ করতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যৎ প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির চাহিদা পূরণে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির বিকল্প নেই। এজন্য স্কিল ডেভেলপমেন্ট কার্যক্রম জোরদার করার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ক্লাউড কম্পিউটিং ও সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
বাক্কো সভাপতি ডাটা সেন্টার স্থাপনে বিশেষ প্রণোদনা প্রদানেরও আহ্বান জানান। পাশাপাশি উদীয়মান উদ্যোক্তা, স্টার্টআপ এবং ফ্রিল্যান্সারদের জন্য কর সুবিধা, সহজ শর্তে ঋণপ্রাপ্তি এবং ভেঞ্চার ক্যাপিটাল তহবিল গঠনের উদ্যোগ নেওয়ার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
তার মতে, সময়োপযোগী নীতি সহায়তা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে দেশের আইটি ও আউটসোর্সিং খাত আগামী দিনে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে আরও বড় ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।
