বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির প্রথম ধাপের নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এ পরীক্ষায় মোট ৯ হাজার ২০১ জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। ফল প্রকাশের মাধ্যমে তারা এখন পরবর্তী ধাপ অর্থাৎ লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।
শুক্রবার (১২ জুন) রাতে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে ফলাফল প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত তালিকায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের রোল নম্বর উল্লেখ করা হয়েছে।
বার কাউন্সিল সূত্রে জানা গেছে, এবার নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষায় আবেদন করেছিলেন ৩৭ হাজার ৮০ জন। তাদের মধ্যে ৯ হাজার ২০১ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। সে হিসাবে পরীক্ষায় উত্তীর্ণের হার প্রায় ২৪ দশমিক ৮১ শতাংশ।
বাংলাদেশে আইনজীবী হিসেবে সনদ পেতে একজন প্রার্থীকে তিনটি ধাপ অতিক্রম করতে হয়। প্রথমে নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষা, এরপর লিখিত পরীক্ষা এবং সবশেষে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। তিনটি ধাপেই সফলভাবে উত্তীর্ণ হওয়ার পরই আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিসের অনুমতি পাওয়া যায়।
সাম্প্রতিক ফলাফলে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা সরাসরি দ্বিতীয় ধাপের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করেছেন। বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট কমিটি শিগগিরই লিখিত পরীক্ষার সময়সূচি ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রকাশ করবে বলে জানা গেছে।
এনরোলমেন্ট কমিটির বিধান অনুযায়ী, কোনো পরীক্ষার্থী একবার লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে পরবর্তী টানা তিনবার মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। অর্থাৎ মৌখিক পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হলেও তাকে পুনরায় নৈর্ব্যক্তিক বা লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে না। তিনি সরাসরি পরবর্তী মৌখিক পরীক্ষাগুলোতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
ফলাফল প্রকাশের পর উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। অন্যদিকে যারা এবার উত্তীর্ণ হতে পারেননি, তারা ভবিষ্যতে অনুষ্ঠিতব্য পরবর্তী তালিকাভুক্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।
বার কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, এবার নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল ৩৭ হাজার ৮০ জন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৯ হাজার ২০১ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছেন ২৭ হাজার ৮৭৯ জন। উত্তীর্ণরা এখন লিখিত পরীক্ষার জন্য অপেক্ষা করছেন, যা আইনজীবী হওয়ার পথে দ্বিতীয় ও গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত।
