সুপার ওভারে রাজশাহীর জয়, শেষ ওভারের নাটকীয়তায় টাই

নিরুত্তাপ ম্যাচে শেষ দিকে হঠাৎই ছড়াল উত্তেজনা। শেষ ওভারে জমে উঠল নাটক। বারবার রঙ পাল্টাল লড়াইয়ের। রংপুর রাইডার্সের মুঠো থেকে ছুটে গেল জয়। পরাজয়ের দুয়ার থেকে অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ম্যাচ ‘টাই’ করার পর, সুপার ওভারে জিতল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

মূল ম্যাচে শেষ ওভার ও সুপার ওভারে দারুণ বোলিংয়ে রাজশাহীর নায়ক পেসার রিপন মন্ডল।

১৬০ রানের লক্ষ্য তাড়ায় তাওহিদ হৃদয় ও দাভিদ মালানের ফিফটিতে সহজ জয়ের পথে ছিল রংপুর। ৮ উইকেট হাতে নিয়ে শেষ ৩ ওভারে তাদের প্রয়োজন ছিল ১৮ রান।

অষ্টাদশ ওভারে স্রেফ ২ রান দিয়ে কাইল মেয়ার্সের উইকেট নিয়ে লড়াই জমিয়ে তোলেন এসএম মেহেরব। পরের ওভারে খুশদিল শাহ ও মালানের একটি করে চারে আসে ১৩ রান।

শেষ ওভারে চাই ৭। রিপন প্রথম বল করেন অফ স্টাম্পের বাইরে, ডিপ পয়েন্টে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন বাঁহাতি খুশদিল। ক্রিজে এসে প্রথম বলে চার মারেন নুরুল হাসান সোহান। পরের বলে অফ স্টাম্পের বাইরের ডেলিভারিতে ব্যাট ছোঁয়াতে পারেননি তিনি। রংপুর অধিনায়ক ওয়াইডের আবেদন করলেও আম্পায়ার তা দেননি।

চতুর্থ বলে শর্ট ডেলিভারি লেগ সাইডে খেলার চেষ্টায় ঠিকমতো পরেননি সোহান। ব্যাটের কানায় লেগে বল চলে যায় উইকেটের পেছনে। বাউন্ডারিতে শেষ মুহূর্তে পা দিয়ে বল থামান ফিল্ডার, আসে ২ রান। স্কোর তখন সমান।

পঞ্চম বলে লেগ সাইডে মুশফিকুর রহিমের হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন সোহান। শেষ বলে ফুল টসে গ্যাপ খুঁজে পাননি মাহমুদউল্লাহ। শর্ট মিডউইকেটে চমৎকার ফিল্ডিংয়ে বল থামিয়ে, বল হাতে রেখে দৌড়ে এসে নন স্ট্রাইক প্রান্তের স্টাম্প ভেঙে দেন মেহেরব, মাহমুদউল্লাহ রান আউট ও ম্যাচ টাই।

সুপার ওভারে রিপনের দুটি ওয়াইডের পরও ২ উইকেট হারিয়ে রংপুর করতে পারে কেবল ৬ রান। মুস্তাফিজুর রহমানকে দুটি চার মেরে তিন বলেই রাজশাহীকে জিতিয়ে দেন তানজিদ হাসান।

ছয় বছর পর ‘টাই’ দেখল বিপিএল। এর আগে ২০১৯ সালে খুলনা টাইটান্স ও চিটাগং ভাইকিংস এবং পরের বছর কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স ও সিলেট থান্ডারের ম্যাচ ‘টাই’ হয়েছিল।