নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী এ্যাড. আবুল কালামকে ঘিরে আলোচনা

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী এ্যাড. আবুল কালামকে ঘিরে নানা আলোচনা চলছে। কিছু মহল থেকে অভিযোগ উঠেছে যে, দলীয় কিছু নেতা-কর্মী তার পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ না করে অন্য প্রার্থীদের সমর্থন দিচ্ছেন। তবে এসব অভিযোগের সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, দলীয় বিভিন্ন পর্যায়ে নির্বাচনী কার্যক্রমে অনীহার কথাও শোনা যাচ্ছে।

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসন সদর ও বন্দর এলাকা নিয়ে গঠিত। তবে নাসিকের সদর অঞ্চলে দলীয় প্রচার-প্রচারণা ও ভোটার স্লিপ বিতরণে বিশৃঙ্খলার অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ ভোটার থেকে শুরু করে অনেক নেতা-কর্মী জানিয়েছেন, এখনো তাদের হাতে ভোটার স্লিপ পৌঁছায়নি। একইভাবে অনেক কেন্দ্রে পোলিং এজেন্টের তালিকা জমা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ব্যর্থতার অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে, মহানগর বিএনপির বেশ কয়েকজন সিনিয়র নেতা এ্যাড. আবুল কালামের পক্ষে সক্রিয়ভাবে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব এ্যাড. আবু আল ইউসুফ খান টিপু, যুগ্ম-আহ্বায়ক শাহ ফতেহ রেজা রিপন, সদস্য আওলাদ হোসেন, আমিনুর ইসলাম মিঠু প্রমুখ। এছাড়া মাঝে মাঝে প্রচারণায় অংশ নিতে দেখা যাচ্ছে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এ্যাড. সাখাওয়াত হোসেন খান ও ব্যবসায়ী আবু জাফর আহম্মেদ বাবুলকে। একইসঙ্গে মহানগর বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক ও নাসিকের ২৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবুল কাউছার আশাকেও নিয়মিতভাবে প্রার্থীর পাশে দেখা যাচ্ছে।

তবে বিএনপির মূল নেতারা মাঠে সক্রিয় থাকলেও মহানগর যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিক দল, কৃষক দল ও ছাত্রদলের তেমন উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে না। মাঝে মধ্যে সহযোগী সংগঠনের কিছু নেতা উপস্থিত থাকলেও অধিকাংশ সময় তাদের অন্যান্য আসনের প্রচারণায় ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়।

এ বিষয়ে দলীয় নেতা-কর্মীরা জানান, এ্যাড. আবুল কালাম মাটি ও মানুষের নেতা। তিনি তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির একজন রাজনীতিক। তাদের মতে, তার পক্ষে রয়েছে নীরব ভোটাররা, যারা ব্যক্তিগত লাভের জন্য নয়, বরং নিজেদের প্রতিনিধিত্বের জন্যই তাকে সমর্থন করে আসছেন।

তারা আরও বলেন, যদি কেউ অন্য প্রার্থীর সঙ্গে সমঝোতা করে তাকে পরাজিত করার চিন্তা করেন, তবে তা ভুল ধারণা। কারণ নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে এ্যাড. আবুল কালাম একটি প্রতিষ্ঠিত নাম। তার প্রতি ভোটারদের আস্থা রয়েছে, যা নির্বাচনের দিন নীরব সমর্থনে প্রতিফলিত হবে বলে তারা আশাবাদী।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে তাকে জয়ী করবেন বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন।