ঢাকা–ওয়াশিংটন সম্পর্ক নতুন গতি পাবে: উন্নয়ন সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর জোর

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উন্নয়ন সহযোগিতা আরও বিস্তৃত ও গতিশীল করার লক্ষ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট খাতে বিনিয়োগ, প্রযুক্তিগত সহায়তা ও গবেষণা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।রা

জধানীর সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করা এবং উন্নয়ন অগ্রাধিকারের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠকে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উন্নয়ন সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দেশের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি পানি সরবরাহ, কৃষি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং গ্রামীণ যোগাযোগ খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান। এসব ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত সহায়তা, গবেষণা কার্যক্রম এবং বিনিয়োগ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের জন্য একটি সম্ভাবনাময় গন্তব্য। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের স্বাগত জানিয়ে তিনি উন্নয়ন কার্যক্রমে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর জোর দেন। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের গবেষণা ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।

অন্যদিকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট খাতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি কৃষি, জ্বালানি সহায়তা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি—বিশেষ করে সৌরশক্তি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

বৈঠক শেষে উভয় পক্ষই আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, পারস্পরিক অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের উন্নয়ন কার্যক্রম ভবিষ্যতে আরও গতিশীল হবে।

এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মোহাম্মদ শওকত রশীদ চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।