দেশের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে শূন্য পদ পূরণের প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, সরকার পর্যায়ক্রমে প্রায় ৫ লাখ জনবল নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার কিছু অংশের কার্যক্রম ইতোমধ্যে চলমান রয়েছে।
বুধবার (১০ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-৯ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য আবুল কালামের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
সংসদ নেতা তারেক রহমান বলেন, সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধীনস্থ দপ্তরে বিপুল সংখ্যক পদ শূন্য রয়েছে। এসব পদ পূরণ করে প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করা এবং জনগণকে দ্রুত সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই সরকার নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিচ্ছে।
তিনি বলেন, “যত দ্রুত সম্ভব এসব শূন্য পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হবে, ইনশাআল্লাহ।” পাশাপাশি তিনি জানান, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তরগুলোতে ২ হাজার ৮৭৯টি পদে নিয়োগ কার্যক্রম ইতোমধ্যে চলমান রয়েছে।
এর আগে বিকেল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়। অধিবেশনের প্রথম ৩০ মিনিট প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি একাধিক সম্পূরক প্রশ্নের জবাব দেন।
সেশনে বিএনপির সংসদ সদস্যদের অনুপস্থিতিতে পাবনা-৫ আসনের প্রশ্নটি পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম রেজা হাবিব উত্থাপন করেন।
সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা ও সমতা নীতির প্রসঙ্গে এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার দেশের সার্বিক উন্নয়নে সমতা নিশ্চিত করতে চায়। সরকারদলীয় ও বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের এলাকায় সমানভাবে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার নীতিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সংসদের একটি সাম্প্রতিক বৈঠকের পর তিনি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন যাতে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের এলাকায় কোনো সহযোগিতা বা বরাদ্দ থেকে কেউ বাদ না পড়ে।
তারেক রহমান বলেন, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে দলীয় পরিচয়ের চেয়ে জনগণের অধিকারই সরকারের মূল অগ্রাধিকার। সরকারি সুবিধা ও উন্নয়ন কার্যক্রম সবার জন্য সমানভাবে নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।
