- শূন্য থেকে শুরু, তিন বছরের মধ্যে বদলে যাবে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন
আগামী তিন-চার বছরের মধ্যে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে দৃশ্যমান সাফল্য আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। রাজধানীর গুলশানে শুটিং স্পোর্ট ফেডারেশনে ১২তম জাতীয় এয়ারগান চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এই চ্যাম্পিয়নশিপের মাধ্যমে দেশের উদীয়মান শুটাররা আন্তর্জাতিক অঙ্গনের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করার সুযোগ পাবেন বলে আশা করছেন আয়োজকরা।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমরা একদম শূন্য থেকে শুরু করেছি। এই উদ্যোগের ফলাফল রাতারাতি পাওয়া যাবে না, তবে আগামী ৩-৪ বছর পর দেশের ক্রীড়াঙ্গনে একটি দৃশ্যমান সাফল্য আসবে। সামনে আমাদের এশিয়ান গেমস রয়েছে এবং সেখানে খেলোয়াড়দের সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে। আমাদের একটাই লক্ষ্য, বাংলাদেশের জন্য পদক আনা এবং এই লক্ষ্য পূরণে আমরা সবাই এক পরিবারের মতো করে কাজ করতে চাই।”
শুটিং চ্যাম্পিয়নশিপের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের শুটিংয়ের একটি দীর্ঘ ও গৌরবময় ঐতিহ্য রয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শুটাররা আমাদের দেশের জন্য অনেক সম্মান বয়ে এনেছে।” তবে বিগত কিছু বছরে শুটিং থেকে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য না পাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে আমাদের নিজেদের মধ্যে আরও ভ্রাতৃত্ববোধ ও সুদৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।”
ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে সরকারের নতুন পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমান দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সকল ফেডারেশনকে প্রতি বছর আন্তর্জাতিক মানের ৩-৪টি এবং জাতীয় পর্যায়ে ৫-৬টি ইভেন্ট আয়োজন নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া খেলোয়াড়দের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা দিতে ‘স্পোর্টস ভিলেজ’-এ শুটিং ও আর্চারির জন্য আলাদা জায়গা বরাদ্দ রাখা হবে। দেশের জন্য খেলোয়াড়দের সর্বোচ্চ উজাড় করে খেলার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, শুটিং ফেডারেশনের সভাপতি মো. রেজাউল মাকসুদ জাহেদী এবং বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফ উল্লাহ।
