২০৩০ সালের আগেই মাতৃমৃত্যু কমানোর লক্ষ্য অর্জন, বাংলাদেশকে ডব্লিউএইচওর অভিনন্দ

  • নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে মাতৃমৃত্যুর হার কমানোর যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল, নির্ধারিত সময়ের আগেই তা অর্জন করায় বাংলাদেশ সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) পূর্ব তিমুরের রাজধানী দিলিতে অনুষ্ঠিত ডব্লিউএইচওর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক কমিটির ৭৯তম অধিবেশনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের হাতে এ সংক্রান্ত অভিনন্দনপত্র তুলে দেন সংস্থাটির মহাপরিচালক ড. টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসাস।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের মাতৃমৃত্যু কমানোর এ অর্জন জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচনা করছে ডব্লিউএইচও। সংস্থাটির মতে, সরকারের দৃঢ় নেতৃত্ব, কার্যকর স্বাস্থ্যনীতি এবং সুসংগঠিত প্রজনন ও মাতৃস্বাস্থ্য কর্মসূচি এ সাফল্যের অন্যতম ভিত্তি।

এ ছাড়া প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া, দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীর মাধ্যমে প্রসবসেবা নিশ্চিত করা, মিডওয়াইফারি সেবার বিস্তার, জনগণের অংশগ্রহণ এবং বিভিন্ন অংশীদারের সঙ্গে সমন্বিত উদ্যোগও মাতৃমৃত্যু কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে জানিয়েছে ডব্লিউএইচও।

অভিনন্দনপত্রে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ গত ১০ বছর ধরে মাতৃ ও নবজাতক টিটেনাস নির্মূলের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। শক্তিশালী জাতীয় অঙ্গীকার, মানসম্মত টিকাদান কর্মসূচি এবং দেশজুড়ে নিরাপদ প্রসবের চর্চা এ অর্জন ধরে রাখতে সহায়তা করেছে।

ডব্লিউএইচওর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক কার্যালয় বলেছে, মাতৃ ও নবজাতক টিটেনাস নির্মূলের অর্জন ধরে রাখার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভূমিকা পুরো অঞ্চলের সম্মিলিত জনস্বাস্থ্য প্রচেষ্টাকেও শক্তিশালী করেছে।

বাংলাদেশের এসব জনস্বাস্থ্য অর্জনকে স্বীকৃতি দেওয়াকে সম্মানের বিষয় উল্লেখ করে ডব্লিউএইচও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অবদানসহ সংশ্লিষ্টদের প্রশংসা করেছে।