- নিজস্ব প্রতিবেদক
সরকারি হাসপাতালের আশপাশে অননুমোদিতভাবে বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতাল গড়ে ওঠা ঠেকাতে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এখন থেকে কোনো সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে নতুন ক্লিনিক বা বেসরকারি হাসপাতাল স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হবে না। একইসঙ্গে সরকারি হাসপাতালের সীমানার মধ্যে থাকা ক্লিনিকে সংশ্লিষ্ট সরকারি চিকিৎসকদের চিকিৎসা দেওয়ার ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
এর আগে মঙ্গলবার মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন সরকারি হাসপাতালের আশপাশে গড়ে ওঠা বেসরকারি ক্লিনিকগুলোর বিষয়ে কথা বলেন।
তিনি বলেন, সারা দেশে অনেক ক্লিনিক ও বেসরকারি চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম তদারকির আওতায় আনা হবে। সরকারি হাসপাতালের সামনে বা আশপাশে নতুন করে কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন দেওয়া হবে না। বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলো মানসম্মত সেবা দিতে ব্যর্থ হলে তাদের অনুমোদন বাতিল করা হবে।
গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালটি ৫০ শয্যা থেকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার ঘোষণা দেন।
এ সময় মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন, গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফছা নাদিয়া, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শারমিন আক্তার তিথি এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. নুসরাত ফারজানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, আগামী দুই বছরের মধ্যে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একসঙ্গে ১০ জন রোগীর ডায়ালাইসিস দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। একই সময়ের মধ্যে হাসপাতালটিতে আধুনিক প্যাথলজি ল্যাব স্থাপন এবং পুরুষ ও নারীদের জন্য পৃথক ফিজিওথেরাপি সেন্টার চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।
