যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনকালীন সতর্কতা: সহিংসতার আশঙ্কায় বাংলাদেশে অবস্থানরত নাগরিকদের সচেতন থাকার পরামর্শ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও উপনির্বাচন-সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডকে ঘিরে বাংলাদেশে রাজনৈতিক সহিংসতার আশঙ্কা প্রকাশ করে দেশটিতে অবস্থানরত নিজ নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

শুক্রবার ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, নির্বাচন-পরবর্তী সময়সহ নির্বাচনকে ঘিরে আয়োজিত বিভিন্ন সভা-সমাবেশ, ভোটকেন্দ্র এবং গীর্জা, মন্দির, মসজিদের মতো ধর্মীয় স্থানগুলোতে ‘রাজনৈতিক সহিংসতা বা উগ্রপন্থী হামলার’ আশঙ্কা রয়েছে।

দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়, ‘‘মনে রাখতে হবে যে, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ বা সমাবেশও অপ্রত্যাশিতভাবে উত্তেজনাপূর্ণ ও সহিংস হয়ে উঠতে পারে। তাই বিক্ষোভ এলাকা এড়িয়ে চলা এবং বড় কোনো সমাবেশের আশেপাশে অতিরিক্ত সতর্ক থাকা উচিত।’’

বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ সরকার কতৃর্ক ঘোষিত যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত তথ্যও উল্লেখ করা হয়। বলা হয়, সরকার ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে মোটরসাইকেল এবং ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সব ধরনের যানবাহন চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। এই পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি ‘অনসাইট’ বা দূতাবাস প্রাঙ্গণে প্রদত্ত বিভিন্ন পরিষেবা সীমিত পর্যায়ে প্রদান করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তিতে সাতটি সুরক্ষা পরামর্শ দেওয়া হয়েছে:

১. বড় জনসমাবেশ ও বিক্ষোভের এলাকা এড়িয়ে চলুন।
২. সর্বদা আপনার পারিপার্শ্বিক অবস্থা সম্পর্কে সচেতন থাকুন।
৩. স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম ও পরিবেশ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করুন।
৪. সতর্ক ও নিম্ন প্রোফাইল বজায় রাখুন।
৫. জরুরি যোগাযোগের জন্য সম্পূর্ণ চার্জযুক্ত মোবাইল ফোন সঙ্গে রাখুন।
৬. আপনার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা পরিকল্পনা পুনরায় পর্যালোচনা করুন।
৭. সম্ভাব্য যাতায়াত বিঘ্নের জন্য আগে থেকে বিকল্প চলাচলের পথ/পরিকল্পনা তৈরি করুন।