ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজগুলোতে টানা পাঁচ দিন শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। একইভাবে কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে। অন্যদিকে, মাদ্রাসাগুলোতে নির্বাচনের এই ছুটির মধ্য দিয়েই রোজা ও ঈদের দীর্ঘ ছুটি শুরু হবে।
ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার)। নির্বাচনের পূর্বদিন ১১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) এবং ভোটের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি সরকারি সাধারণ ছুটি থাকবে। এরপর শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি পড়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আগামী বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত চার দিন বন্ধ থাকার কথা ছিল।
কিন্তু এরপর ১৫ ফেব্রুয়ারি (রোববার) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বার্ষিক ছুটির তালিকা অনুযায়ী শিবরাত্রি ব্রত উপলক্ষে আরও এক দিন ছুটি থাকায় মোট ছুটি হবে পাঁচ দিন। অর্থাৎ, ১১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি (রোববার) পর্যন্ত সব স্কুল, কলেজ ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
মাদ্রাসার বার্ষিক ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ১৫ ফেব্রুয়ারি (রোববার) থেকেই মাদ্রাসাগুলোর রোজা ও ঈদের দীর্ঘ ছুটি শুরু হবে। এই ছুটি চলবে আগামী ২৬ মার্চ পর্যন্ত। ২৯ মার্চ থেকে মাদ্রাসাগুলোতে শ্রেণি কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে।
অন্যদিকে, সাধারণ কলেজগুলোর (ডিগ্রি ও উচ্চমাধ্যমিক) ক্ষেত্রে আগামী সোমবার ও মঙ্গলবার (৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি) শ্রেণি কার্যক্রম চলার পর বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে রোজা ও ঈদের ছুটি শুরু হবে। এই ছুটিও ২৬ মার্চ পর্যন্ত চলবে এবং ২৯ মার্চ থেকে কলেজগুলোতে ক্লাস শুরু হবে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং কারিগরি শিক্ষা কার্যক্রমের অধীন ভোকেশনাল স্কুল, ভোকেশনাল কলেজ, ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট, বিএমটি কলেজ ও ভোকেশনাল কলেজগুলোতে রোজা ও ঈদের ছুটি শুরু হবে ৮ মার্চ থেকে। বার্ষিক ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২৬ মার্চ পর্যন্ত ছুটি থাকবে এবং ২৯ মার্চ থেকে এসব প্রতিষ্ঠানে ক্লাস শুরু হবে।
এভাবে বিভিন্ন স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির সময়সূচি ভিন্ন হওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
