জাতীয় পার্টির সাবেক দুর্গ রংপুরে এবার একটিও আসন পায়নি দলটি। দলের শীর্ষ দুই নেতা জিএম কাদের ও শামীম হায়দার পাটোয়ারীও ভোটের লড়াইয়ে টিকতে পারেননি—দুজনই তৃতীয় অবস্থানে ছিলেন।
রংপুরের ছয়টি ও গাইবান্ধার একটি আসনে আধিপত্য বিস্তার করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির জোটসঙ্গী জাতীয় নাগরিক পার্টিও একটি আসনে জয় পেয়েছে। বিএনপির প্রার্থীরা সবকটি আসনেই দ্বিতীয় হয়েছেন, তবে ব্যবধান ছিল কম।
রংপুর-১:
জামায়াতের রায়হান সিরাজী ১ লাখ ৭৪ হাজার ২৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী। বিএনপির মোকারম হোসেন সুজন পান ৬৯ হাজার ১৩১ ভোট।
রংপুর-২:
জামায়াতের এটিএম আজাহারুল ইসলাম পান ১ লাখ ৩৫ হাজার ৫৫৬ ভোট। বিএনপির মোহাম্মদ আলী সরকার পান ৮০ হাজার ৫৩৮ ভোট।
রংপুর-৩:
জামায়াতের মাহবুবার রহমান বেলাল পান ১ লাখ ৭৫ হাজার ৮২৭ ভোট। বিএনপির শামসুজ্জামান সামু পান ৮৪ হাজার ৫৭৮ ভোট। এই আসনে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের তৃতীয় হন ৪৩ হাজার ৩৮৫ ভোট পেয়ে। ২০২৪ সালে তিনি এখান থেকে সংসদ সদস্য ও বিরোধীদলীয় নেতা হয়েছিলেন।
রংপুর-৪:
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আকতার হোসেন শাপলা কলি প্রতীকে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৯৬৬ ভোট পেয়ে জয়ী। বিএনপির এমদাদুল হক ভরসা পান ১ লাখ ৪০ হাজার ৫৬৪ ভোট।
রংপুর-৫:
জামায়াতের গোলাম রব্বানী পান ১ লাখ ৭৬ হাজার ৪১১ ভোট। বিএনপির অপর গোলাম রব্বানী পান ১ লাখ ১৫ হাজার ১১৬ ভোট।
রংপুর-৬:
জামায়াতের নুরুল আমীন পান ১ লাখ ২০ হাজার ১২৮ ভোট। বিএনপির সাইফুল ইসলাম পান ১ লাখ ১৭ হাজার ৭০৩ ভোট।
গাইবান্ধা-১:
জামায়াতের মো. মাজেদুর রহমান ১ লাখ ৪০ হাজার ৭২৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত। বিএনপির খন্দকার জিয়াউল ইসলাম পান ৩৭ হাজার ৯৯৭ ভোট। জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী পান ৩৩ হাজার ৯৭৬ ভোট, তৃতীয় হন তিনি।
