বিভিন্ন বৃত্তির জন্য দেশের ৬৮ হাজার ৭৬৮ জন শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছে। বুধবার সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এই ফল ঘোষণা করেন।
নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে জুনিয়র বৃত্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন ৪৬ হাজার ২০০ জন শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে ১৪ হাজার ৭০০ জন ট্যালেন্টপুলে (মেধাবৃত্তি) এবং ৩১ হাজার ৫০০ জন সাধারণ বৃত্তি পাবেন।
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল অষ্টম শ্রেণির বৃত্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছে ১১ হাজার ১৮০ জন। একই সংখ্যক শিক্ষার্থী এবতেদায়ী পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছে। অন্যদিকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের জেএস ও জেডি বৃত্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছে ২০৮ জন শিক্ষার্থী।
গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ২৮ ডিসেম্বর বাংলা, ২৯ ডিসেম্বর ইংরেজি, ৩০ ডিসেম্বর গণিত এবং ৫ জানুয়ারি বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ এবং বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা হয়। ২০২৫ সালে অষ্টম শ্রেণি উত্তীর্ণ ৩ লাখ ১৫ হাজার ১৬০ জন শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেয়।
বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা আগামী দুই বছর এই সুবিধা পাবে। মেধাবৃত্তিপ্রাপ্তরা বছরে এককালীন ৫৬০ টাকা ও প্রতিমাসে ৪৫০ টাকা হারে বৃত্তি পাবে। আর সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা বছরে ৩৫০ টাকা ও মাসে ৩০০ টাকা পাবে।
অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের ভিত্তিতে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বিষয়ে বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলা, ইংরেজি, গণিত বিষয়ে আলাদা আলাদা পরীক্ষা হলেও বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা হয় একসঙ্গে।
বৃত্তি পরীক্ষায় মোট নম্বর ছিল ৪০০। বাংলায় ১০০, ইংরেজিতে ১০০, গণিতে ১০০, বিজ্ঞানে ৫০ এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে ৫০ নম্বরের পরীক্ষা হয়েছে। প্রতিটি পরীক্ষার সময় ছিল ৩ ঘণ্টা।
