সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, সংস্কৃতিকর্মী ও শিশু রামিসাসহ বিভিন্ন অঙ্গনের প্রয়াত ব্যক্তিদের স্মরণে জাতীয় সংসদে শোক প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।
রোববার (৭ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের শুরুতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ শোক প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরে সংসদ সর্বসম্মতিক্রমে তা গ্রহণ করে। এ সময় প্রয়াতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
শোক প্রস্তাবে উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, সাবেক মন্ত্রী মোশাররফ হোসেন, এ কে এম রহমত উল্লাহ, দবিরুল ইসলাম, এ বি এম আনোয়ারুল হক, মোসলেম উদ্দিন এবং শফিক আহমেদকে স্মরণ করা হয়।
এছাড়া দশম জাতীয় সংসদের স্বতন্ত্র সদস্য আবদুল মতিন, সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা ও অধ্যাপক এম এ মান্নান, সাবেক সংসদ সদস্য দেওয়ান শামসুল আবেদীন, জি এম ফজলুল হক, জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. কায়সার, আবু নূর মোহাম্মদ বাহাউল হক, গোলাম সারোয়ার মিলন এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সংসদ সদস্য মো. সামসুদ্দোহাকেও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।
শোক প্রস্তাবে দেশের শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সামাজিক অঙ্গনের বহু গুণী ব্যক্তির মৃত্যুতেও গভীর শোক প্রকাশ করা হয়। তাদের মধ্যে রয়েছেন শিক্ষাবিদ অধ্যাপক দিলারা হাফিজ, জাতীয় অধ্যাপক সুফিয়া আহমেদ, কবি হেলাল হাফিজ, ছায়ানটের সভাপতি সঞ্জীদা খাতুন, সংগীতশিল্পী মুস্তাফা জামান আব্বাসী, লেখক বদরুদ্দীন উমর, নজরুলসংগীতশিল্পী ডালিয়া নওশীন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান এবং সংঘরাজ ড. জ্ঞানীশ্রী মহাস্থবির।
এ ছাড়া বিএনপির চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা আব্দুল কুদ্দুস, সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেনের মা বেগম জেবুন্নেছা, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিউল বারী বাবু এবং সাংবাদিক রুহুল আমিন গাজীর মৃত্যুতেও সংসদ শোক প্রকাশ করে।
পল্লবীতে ধর্ষণের পর হত্যার শিকার শিশু রামিসাসহ চার শিশুর অকালমৃত্যুতেও গভীর শোক ও সমবেদনা জানানো হয়।
শোক প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার পর প্রয়াতদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
