এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হবে ২০ জুলাই

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামী ২০ জুলাই প্রকাশ করা হবে। সোমবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল ২০ জুলাই প্রকাশ করা হবে। একই সঙ্গে তিনি জানান, ২০২৭ সাল থেকে শিক্ষাক্রমে চারটি নতুন বিষয় যুক্ত করা হবে এবং ২০২৮ সালে শিক্ষাব্যবস্থায় আরও বিস্তৃত পরিবর্তন আনা হবে।

গত ২১ এপ্রিল সারা দেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়ে ২০ মে শেষ হয়। বর্তমানে ব্যবহারিক পরীক্ষা চলছে, যা আগামী ১৪ জুন পর্যন্ত চলবে।

এ বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী জানান, ২০২৭ সালে শিক্ষাক্রমে চারটি নতুন বিষয় যুক্ত হবে। এর মধ্যে চতুর্থ শ্রেণি থেকে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক দুটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে চালু হবে ‘কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা’ এবং ‘আনন্দের সঙ্গে শিক্ষা’ বিষয়।

তিনি বলেন, বিদ্যমান শিক্ষাক্রমকে বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিমার্জন করা হচ্ছে। ২০২৭ সালে সংশোধিত শিক্ষাক্রম চালু করা হবে এবং ২০২৮ সালে আরও ব্যাপক পরিবর্তন কার্যকর হবে।

নতুন শিক্ষাক্রমে বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় ভাষা শিক্ষার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে বিদ্যমান পাঠ্যক্রমে একটি বিস্তৃত অধ্যায় সংযোজনের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা একসঙ্গে সমাধান করা সম্ভব না হলেও প্রয়োজনীয় সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে। শিক্ষাক্রমে সংযোজন, বর্জন ও পরিমার্জনের পাশাপাশি নতুন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

সচিবালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব দাউদ মিয়া, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী।