- মধ্যরাত পর্যন্ত ভোগান্তিতে পড়তে পারেন আবাসিক, শিল্প ও বাণিজ্যিক গ্রাহকরা
সমুদ্রে স্থাপিত একটি এলএনজি টার্মিনালের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ সাময়িকভাবে কমে গেছে। এর প্রভাবে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির আওতাভুক্ত বিভিন্ন এলাকায় শনিবার মধ্যরাত পর্যন্ত গ্যাসের চাপ কম থাকতে পারে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে তিতাস গ্যাস জানায়, এলএনজি থেকে গ্যাস সরবরাহকারী একটি ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ)-তে জরুরি কারিগরি রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ কারণে এলএনজি পুনঃগ্যাসীকরণের সক্ষমতা সাময়িকভাবে হ্রাস পেয়েছে এবং জাতীয় গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থায় এর প্রভাব পড়েছে।
কোম্পানির তথ্যমতে, গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় তিতাসের অধীনস্থ এলাকায় আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্পসহ সব ধরনের গ্রাহক স্বল্পচাপের সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন। কিছু এলাকায় স্বাভাবিকের তুলনায় গ্যাসের প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে।
কী এই এফএসআরইউ?
এফএসআরইউ বা ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট হলো সমুদ্রে ভাসমান বিশেষায়িত অবকাঠামো, যেখানে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সংরক্ষণ করা হয়। পরে সেই এলএনজিকে পুনরায় গ্যাসে রূপান্তর করে পাইপলাইনের মাধ্যমে জাতীয় সঞ্চালন ব্যবস্থায় সরবরাহ করা হয়। দেশের গ্যাসের চাহিদা পূরণে এই ধরনের ভাসমান টার্মিনাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
গ্রাহকদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা
গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির কারণে সাময়িক অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষ হলে সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের সহযোগিতা ও ধৈর্যের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
