জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নির্দেশনায় দেশের সব কর অঞ্চলের বিশেষ টিম উৎসে কর কর্তন মনিটরিং ও যাচাইকরণ কার্যক্রম জোরদার করেছে। এ বিষয়ে আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৪৭ অনুযায়ী কর কর্মকর্তাদের আইনগত ক্ষমতা সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
শনিবার প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআর জানায়, ধারা ১৪৭ অনুযায়ী কর কর্মকর্তারা প্রয়োজন হলে যেকোনো বাণিজ্যিক বা অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে সরেজমিন পরিদর্শন, হিসাবের বই, ভাউচার, ব্যাংক স্টেটমেন্টসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পরীক্ষা ও তলব করতে পারবেন।
এছাড়া কম্পিউটার সিস্টেম, ক্লাউড সার্ভার, ডিজিটাল রেকর্ড ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসে সংরক্ষিত তথ্য পরীক্ষা, প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সাময়িকভাবে নথি বা ডিভাইস জব্দ এবং নথির অনুলিপি সংগ্রহের ক্ষমতাও কর কর্মকর্তাদের রয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
এনবিআর আরও জানায়, উৎসে কর্তিত কর সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে সঠিক আইনগত ধারা ও অর্থনৈতিক কোড উল্লেখ করে ই-চালানের মাধ্যমে কর পরিশোধ করতে হবে। একই সঙ্গে কর কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনে বাধা বা অসহযোগিতার ক্ষেত্রে আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৪৭(২) অনুযায়ী জরিমানার বিধান রয়েছে।
ধারা ১৪৭-এর প্রয়োগ নিয়ে কোনো অস্পষ্টতা, জটিলতা বা হয়রানির অভিযোগ থাকলে করদাতাদের এনবিআরের নির্ধারিত ই-মেইল ঠিকানায় যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
