পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং কৃষিপণ্য সংরক্ষণে হিমাগার স্থাপনসহ বিভিন্ন খাতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান কাজে লাগাতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খান।
সোমবার সচিবালয়ে নিজের কার্যালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে সাক্ষাতে মন্ত্রী এ আগ্রহের কথা জানান।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক অংশীদারত্ব এবং স্থানীয় সরকার ও উন্নয়ন খাতে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর বিষয়ে আবদুল মঈন খান বলেন, এসব ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতামূলক কর্মসূচি নেওয়া হলে বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রম আরও কার্যকর ও টেকসই হবে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নগর ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ সুরক্ষায় কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাকে সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন মন্ত্রী। এ খাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে বলেও জানান তিনি।
সাক্ষাতের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী হিসেবে নতুন দায়িত্ব নেওয়ায় আবদুল মঈন খানকে শুভেচ্ছা জানান।
রাষ্ট্রদূত স্থানীয় সরকার ও সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন খাতে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান অংশীদারত্ব আরও জোরদারের বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।
বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রীও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। এ খাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো প্রয়োজন।
তিনি বলেন, পরিবেশ সুরক্ষা ও নগর ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব রফিকুল ই মোহামেদ উপস্থিত ছিলেন।
