বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্কের নতুন সহযোগিতা

  • নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব, কর্মসংস্থান, কৃষির আধুনিকায়ন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত করে নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরির প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খান।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রীর নিজ কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সক্ষমতা উন্নয়ন, উচ্চশিক্ষা ও প্রশিক্ষণসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে।

মন্ত্রী আবদুল মঈন খান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে বলেন, নগর উন্নয়নের পাশাপাশি গ্রামীণ অবকাঠামো ও অর্থনীতির টেকসই রূপান্তরেও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামীণ অর্থনীতির মানোন্নয়নে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে অংশীদারত্বের নতুন সুযোগ রয়েছে। পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানো গেলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে জনগণের মধ্যে যোগাযোগ আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে নগর উন্নয়নে যুক্তরাজ্যের চলমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।

বৈঠকে স্থানীয় পর্যায় থেকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ওপরও গুরুত্ব দেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার। এ ক্ষেত্রে ‘বটম-আপ গভর্ন্যান্স’ বা তৃণমূল পর্যায় থেকে শাসন ও উন্নয়ন পরিকল্পনা পরিচালনার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন তিনি।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, যুক্তরাজ্যের সঙ্গে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষি খাতের আধুনিকায়ন, অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব এবং কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের অর্থবছর যুক্তরাজ্যের অর্থবছরের সঙ্গে সমন্বয় হওয়ায় চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে।

এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।