যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মার-আ-লাগো বাসভবনের সুরক্ষিত এলাকায় এক সশস্ত্র ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করেছে সিক্রেট সার্ভিস। শটগান ও জ্বালানি তেলের ক্যান নিয়ে ওই ব্যক্তি সুরক্ষিত এলাকায় ঢোকার চেষ্টা করলে নিরাপত্তা বাহিনী তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।
স্থানীয় সময় রাত সাড়ে একটার দিকে বাসভবনের উত্তর গেটের কাছে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ২০ বছর। তার পরিচয় এখনও জানায়নি কর্তৃপক্ষ। ঘটনার সময় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ফ্লোরিডায় ছিলেন না।
পাম বিচ কাউন্টির শেরিফ রিক ব্র্যাডশ জানান, নিরাপত্তারক্ষীরা প্রথমে ওই ব্যক্তিকে একটি পেট্রোলের ক্যান ও শটগান বহন করতে দেখেন। তারা তাকে অস্ত্র ও ক্যান ফেলে দেওয়ার নির্দেশ দেন। ওই ব্যক্তি জ্বালানির ক্যান ফেলে দিলেও শটগান তাক করে নিরাপত্তারক্ষীদের লক্ষ্য করে। হুমকি আঁচ করে তখনই তাকে গুলি করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের মুখপাত্র ব্রেট স্কিলস জানান, ঘটনাস্থল থেকে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। সিক্রেট সার্ভিসের বিশেষ এজেন্ট রাফায়েল ব্যারোস জানান, গুলির ঘটনায় কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য আহত হননি।
শেরিফ ব্র্যাডশ সাংবাদিকদের সন্দেহভাজন ব্যক্তির শটগানের ছবি দেখিয়ে ঘটনার বর্ণনা দেন। ছবিতে পটভূমিতে একটি লাল রঙের পেট্রোল ক্যানও দেখা গেছে।
ওই ব্যক্তির মার-আ-লাগো বাসভবনে প্রবেশের উদ্দেশ্য কী ছিল তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে সশস্ত্র সন্দেহভাজনদের সঙ্গে সিক্রেট সার্ভিসের এজেন্টদের এ ধরনের সংঘাত নতুন নয়।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ওয়েস্ট পাম বিচের গলফ ক্লাবে ঝোপের মধ্যে লুকিয়ে থাকা এক অস্ত্রধারীকে আটক করা হয়। রায়ান রুথ নামের ওই ব্যক্তি ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টার চেষ্টায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পায়।
এর আগে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে পেনসিলভেনিয়ায় এক নির্বাচনী জনসভায় বক্তৃতা দেওয়ার সময় ট্রাম্প হত্যাচেষ্টার শিকার হন। থমাস ম্যাথিউ ক্রুক নামের ওই হামলাকারীর গুলি ট্রাম্পের কান ছুঁয়ে যায়।
