ক্রাইস্টচার্চ: নিউজিল্যান্ডের কাছে বিশাল ব্যবধানে হারের মুখে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছে শ্রীলঙ্কা। এই ফলাফলে পাকিস্তানের জটিল সমীকরণ আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। সুপার এইট পর্বের শেষ ম্যাচে শনিবার শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে পাকিস্তান, তবে শুধু জয়ই নয়, তাদের ভাবতে হবে রান রেটের জটিল হিসাব নিয়েও।
বুধবার অনুষ্ঠিত ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে বড় ব্যবধানে হারে শ্রীলঙ্কা। এই ফলাফলে গ্রুপটি থেকে আগেই সেমি-ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। নিউজিল্যান্ডের ভাগ্যও এখন নিজেদের হাতে। শুক্রবার ইংল্যান্ডকে হারাতে পারলেই সেমি-ফাইনাল নিশ্চিত হবে তাদের।
লঙ্কানদের হারেই কী সুযোগ পাকিস্তানের?
নিউজিল্যান্ড যদি শুক্রবার ইংল্যান্ডের কাছে হারে, তবেই কেবল পাকিস্তানের সেমিতে ওঠার সম্ভাবনা জিইয়ে থাকবে। তবে সেক্ষেত্রেও তাদের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ রান রেটের।
বর্তমানে নিউজিল্যান্ডের রান রেট +৩.০৪৫, যেখানে পাকিস্তানের রান রেট -০.৪৬১। শনিবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পাকিস্তানকে বড় ব্যবধানে জিততে হবে এই রান রেটের ব্যবধান কমাতে।
নিউজিল্যান্ড-ইংল্যান্ড ম্যাচের ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে পাকিস্তানের প্রয়োজনীয় জয়ের ব্যবধান। যেমন-
· যদি ইংল্যান্ড আগে ব্যাট করে ১৮০ রান তোলে এবং নিউজিল্যান্ডকে ৩০ রানে হারায়, তাহলে পরদিন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পাকিস্তানকে ৪০ রানে জিততে হবে (যদি তারা আগে ব্যাট করে)।
· অর্থাৎ দুই ম্যাচের জয়-পরাজয়ের ব্যবধান মিলিয়ে প্রায় ৭০ রানের মতো হতে হবে।
আবার ভিন্ন হিসাবও আছে। যেমন- নিউজিল্যান্ড যদি আগে ব্যাট করে ১৫০ রান করে এবং ইংল্যান্ড ১৭ ওভারে সেই রান তাড়া করে ফেলে, তাহলে শ্রীলঙ্কা ১৫০ রান করলে পাকিস্তানকে তা ১৪.৪ ওভারের মধ্যেই অতিক্রম করতে হবে।
সেমি-ফাইনালের ভেন্যু নির্ধারণ
শুধু সেমি-ফাইনালে ওঠাই নয়, এই দুই ম্যাচের ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে সেমি-ফাইনালের ভেন্যুও। নিউজিল্যান্ড সেমিতে উঠলে প্রথম সেমি-ফাইনাল হবে কলকাতায়। অন্যদিকে, পাকিস্তান যদি কোনোভাবে সেমি-ফাইনাল নিশ্চিত করতে পারে, তাহলে তাদের ম্যাচটি হবে কলম্বোতে।
শুক্রবার ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড ম্যাচের পর পাকিস্তানের সামনে স্পষ্ট হবে তাদের প্রকৃত সমীকরণ। ইংল্যান্ড জিতলে তবেই পাকিস্তানের জন্য কিছু সম্ভাবনা থাকবে। নিউজিল্যান্ড জিতে গেলে সব সমীকরণ শেষ হয়ে যাবে।
