দুর্নীতিমুক্ত দেশ গঠনে প্রধানমন্ত্রীকে টিআইবির ১০ দফা সুপারিশ

  • ২০২৮ সালে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তাব
  • ওয়াকফ সম্পত্তির স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা জোরদারের নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সচিবালয়ে পৃথক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান এবং বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসনের প্রশাসক সাফিজ উদ্দিন আহমেদ। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত বৈঠকগুলোয় সুশাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি দমন ও রাষ্ট্রীয় সম্পদের সুরক্ষা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করতে সরকারের কাছে সুনির্দিষ্ট ১০ দফা সুপারিশ পেশ করেন। এর মধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পূর্ণাঙ্গ সংস্কার ও পুনর্গঠন অন্যতম। প্রধানমন্ত্রী সুপারিশগুলো ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে দুর্নীতিবিরোধী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সর্বাত্মক কাজের আশ্বাস দেন।

পরে সাংবাদিকদের ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আমাদের সুপারিশগুলোকে অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে দেখেছেন এবং বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছেন। বিশেষ করে দুদকের সংস্কার জরুরি বলে আমরা মত দিয়েছি।’

তিনি আরও জানান, ২০২৮ সালের আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী সম্মেলন বাংলাদেশে আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছে টিআইবি। এশিয়ায় এ পর্যন্ত মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও কোরিয়া এই সম্মেলন আয়োজন করেছে। প্রধানমন্ত্রী নীতিগতভাবে সম্মতি জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি উপস্থিত ছিলেন।

একই দিনে ওয়াকফ প্রশাসক সাফিজ উদ্দিন আহমেদ প্রধানমন্ত্রীর কাছে দেশের ওয়াকফ সম্পত্তির সঠিক ব্যবস্থাপনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও ধর্মীয় কল্যাণে যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতের বিষয়ে আলোচনা করেন।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, ওয়াকফ প্রশাসনের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও স্বচ্ছ করতে সরকারের প্রাথমিক পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ সময় ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ, সংসদ সদস্য শামীম কায়সার লিংকন ও ধর্ম সচিব মুন্সি আলাউদ্দিন আল আজাদ উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী ওয়াকফ এস্টেটগুলোর উন্নয়নে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।