ঈদযাত্রার শেষ দিনে যমুনা সেতু পার হয়ে সিরাজগঞ্জসহ উত্তরাঞ্চলের মহাসড়কে যানবাহনের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের পর থেকেই ঢাকা ও উত্তরাঞ্চলগামী উভয় লেনে গাড়ির সংখ্যা কমতে শুরু করে। শুক্রবার দুপুর নাগাদ স্বাভাবিক সময়ের তুলনায়ও কম যানবাহন চলাচল করছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
সড়কে চাপ কমে যাওয়ায় যাতায়াত সময়ও কমে এসেছে। পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানান, আগে যেখানে দীর্ঘ সময় লাগত, এখন স্বল্প সময়েই দূরপাল্লার পথ অতিক্রম করা যাচ্ছে।
এক বাসচালক জানান, অল্প সংখ্যক যাত্রী নিয়ে ঢাকার বাইপাইল এলাকা থেকে সকালে রওনা দিয়ে মাত্র দুই ঘণ্টায় শত কিলোমিটারের বেশি পথ পাড়ি দিয়ে সিরাজগঞ্জে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।
হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ওসি ইসমাইল হোসেন বলেন, ঢাকামুখী সড়কে যানবাহন প্রায় নেই বললেই চলে। উত্তরাঞ্চলগামী লেনেও মাঝে মাঝে কিছু ব্যক্তিগত গাড়ি ও সীমিত সংখ্যক বাস চলাচল করছে।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জানান, গত কয়েকদিনের তুলনায় যানবাহন পারাপার ধারাবাহিকভাবে কমছে। বুধবার ২৪ ঘণ্টায় সেতু দিয়ে ৫১ হাজার ৫৮৪টি যানবাহন পারাপার হলেও বৃহস্পতিবার তা কমে দাঁড়ায় ৪৫ হাজার ৬১০টিতে।
শুক্রবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত গত ১২ ঘণ্টায় সেতুর দুই লেন দিয়ে পারাপার হয়েছে ১০ হাজার ৫০০টি যানবাহন, যা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায়ও কম।
তিনি আরও জানান, বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে উত্তরাঞ্চলগামী লেনে ৩১ হাজার ৮৯৫টি এবং উত্তরাঞ্চল থেকে ঢাকামুখী লেনে ১৩ হাজার ৭১৫টি যানবাহন চলাচল করেছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পোশাক কারখানাসহ বিভিন্ন খাতে পর্যায়ক্রমে ছুটি দেওয়া এবং ঈদের তারিখ নির্ধারণের কারণে আগেই অধিকাংশ মানুষ বাড়ি চলে যাওয়ায় শেষ দিনে সড়কে চাপ কমে গেছে।
