ঢাকা, ২৫ মার্চ: মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে পৃথক বাণীতে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তারা দেশকে এগিয়ে নিতে জাতীয় ঐক্য ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর বাণীতে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি ইনসাফভিত্তিক, স্বনির্ভর, নিরাপদ ও কর্মমুখর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে দল-মত-পথ নির্বিশেষে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি স্বাধীনতাকে জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন উল্লেখ করে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ আমাদের একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় অনুপ্রেরণা জোগায়। তিনি স্বাধীনতার অপূর্ণ স্বপ্ন বাস্তবায়নে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্য, সহমর্মিতা ও দেশপ্রেমের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর বাণীতে বলেন, স্বাধীনতা দিবস আমাদের জীবনে সাহস, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের চেতনাকে নতুন করে জাগ্রত করে। তিনি স্বাধীনতার লক্ষ্য হিসেবে বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার কথা উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২৬ মার্চ জাতির গৌরবময় দিন। এ দিনে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন তিনি। একই সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধা, নির্যাতিত মা-বোন এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে সম্পৃক্ত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
তিনি দেশের অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে জাতীয় ঐক্য, সহনশীলতা ও দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী উভয়েই মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে গৃহীত সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন।
