বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে বৈঠক করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। বৈঠকে বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের বিকাশ এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে যুক্তরাজ্যের অবদানের প্রশংসা করেন বিরোধীদলীয় নেতা।
বুধবার (১০ জুন) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সৌজন্য সাক্ষাতে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয় বলে সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বৈঠকে নির্বাচন-পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, আসন্ন জাতীয় বাজেট, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, অভিবাসন ব্যবস্থা এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।
আলোচনার একপর্যায়ে ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্রকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা, সংসদ সদস্যদের সক্ষমতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এবং দেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় তাদের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
অন্যদিকে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ছায়া সরকার ও ছায়া বাজেট প্রণয়নের উদ্যোগের প্রশংসা করেন। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতামূলক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকে উভয় পক্ষই বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়েও ইতিবাচক মত প্রকাশ করা হয়।
সাক্ষাতে ব্রিটিশ হাইকমিশনের রাজনৈতিক কাউন্সেলর টিমোথি ডাকেট এবং দ্বিতীয় সচিব (রাজনৈতিক) কেটি ওয়ার্ড উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান এমপি এবং দলের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা টিমের সদস্য আলী আহমেদ মাবরুর বৈঠকে অংশ নেন।
