প্রতিষ্ঠার সাত দশকেরও বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো সফলভাবে করোনারি এনজিওপ্লাস্টি সম্পন্ন করেছে কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল। হাসপাতালের ক্যাথ ল্যাবে পরিচালিত এই সফল অস্ত্রোপচারের মধ্য দিয়ে হৃদরোগ চিকিৎসায় নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করল প্রতিষ্ঠানটি।
রোববার কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল সূত্রে এ তথ্য জানানো হয়।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আবদুল ওয়াদুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি দল ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের এক সদস্যের হৃদপিণ্ডে সফলভাবে করোনারি এনজিওপ্লাস্টি সম্পন্ন করেন।
বর্তমানে ওই পুলিশ সদস্য হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। চিকিৎসকদের মতে, তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।
১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে এই প্রথমবারের মতো পারকিউটেনিয়াস করোনারি ইন্টারভেনশন বা করোনারি এনজিওপ্লাস্টি সম্পন্ন হলো। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিতে হৃদরোগের আধুনিক চিকিৎসাসেবার নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।
এ সেবা চালুর ফলে এখন থেকে বাংলাদেশ পুলিশের সদস্য ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক হৃদরোগ চিকিৎসা এবং জরুরি হৃদ্রোগসংক্রান্ত হস্তক্ষেপমূলক সেবা আরও দ্রুত ও সহজে গ্রহণের সুযোগ পাবেন।
কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তির সংযোজন, দক্ষ জনবল গড়ে তোলা এবং বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়িয়ে উন্নত ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে তারা কাজ করে যাচ্ছে।
