ঈদের পর প্রথম কর্মদিবসে প্রধানমন্ত্রীর টানা কর্মব্যস্ততা সচিবালয়ে

ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে প্রথম কর্মদিবসেই দীর্ঘ সময় সচিবালয়ে অবস্থান করে একাধিক বৈঠক ও দাপ্তরিক কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ ) সকালে দিনের শুরুতেই সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে গুলশানের বাসভবন থেকে রওনা দিয়ে সকাল ৯টা ১ মিনিটে তিনি সচিবালয়ে পৌঁছান।

অফিসে এসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে দিনের কার্যক্রম শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর তিনি নিয়মিত দাপ্তরিক কাজ হাতে নেন।

এসময় বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহাদি আমিন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তারসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাঁর সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

দিনের শুরুতেই আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

পরে প্রধানমন্ত্রী একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেন। দুপুরে প্রবাসী কল্যাণ, শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া রাজধানীর যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে একটি জরুরি সভায়ও তিনি সভাপতিত্ব করেন।

দিনের বাকি সময় জুড়ে বিভিন্ন সৌজন্য সাক্ষাৎ, দাপ্তরিক নথিপত্র পর্যালোচনা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে ব্যস্ত সময় পার করেন প্রধানমন্ত্রী।

আতিকুর রহমান রুমন জানান, সন্ধ্যা ৭টা ৫৩ মিনিট পর্যন্ত সচিবালয়ে অবস্থান করে প্রায় টানা ১১ ঘণ্টা কাজ করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি দপ্তর ত্যাগ করেন।

ঈদের ছুটির আবহ এখনও পুরোপুরি না কাটলেও দায়িত্ব পালনে কোনো শৈথিল্য ছিল না বলে উল্লেখ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর এই টানা কর্মসূচিকে রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের প্রতি তাঁর অঙ্গীকারের প্রতিফলন হিসেবে তুলে ধরেন অতিরিক্ত প্রেস সচিব।

তিনি বলেন, ব্যক্তিগত অবকাশের চেয়ে রাষ্ট্রীয় দায়িত্বকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই কর্মব্যস্ততা দেশের প্রতি দায়বদ্ধতারই প্রকাশ।