২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে সারাদেশে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। যথাযোগ্য মর্যাদা ও শোকাবহ পরিবেশে দিবসটি পালনের প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার।
জাতীয় কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় জানানো হয়েছে, দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হবে।
দিনটিতে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গণহত্যা ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরতে আলোচনা সভা ও স্মৃতিচারণের আয়োজন করা হবে। এসব আয়োজনে বিশিষ্টজন এবং বীর মুক্তিযোদ্ধারা অংশ নেবেন।
এছাড়া দুপুর ১২টা থেকে ঢাকাসহ দেশের সব সিটি কর্পোরেশন এলাকায় নির্ধারিত মিনিপোলগুলোতে গণহত্যা বিষয়ক দুর্লভ আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ধর্মীয় দিক থেকেও দিনটি স্মরণ করা হবে। এ উপলক্ষে বাদ জোহর বা সুবিধাজনক সময়ে দেশের সব মসজিদে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয়েও বিশেষ প্রার্থনার ব্যবস্থা থাকবে।
দিবসটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি হিসেবে রাত ১০টা ৩০ মিনিট থেকে ১০টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত প্রতীকী ব্ল্যাকআউট পালন করা হবে। তবে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও জরুরি সেবাখাত এই কর্মসূচির বাইরে থাকবে। একই সঙ্গে ২৫ মার্চ রাতে কোনো ধরনের আলোকসজ্জা না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া সকাল ১০টা বা সুবিধাজনক সময়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের যৌথ ব্যবস্থাপনায় একটি সেমিনারের আয়োজন করা হবে।
সভায় আরও জানানো হয়, ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস এবং ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস যথাযথভাবে পালনের লক্ষ্যে সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
