জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আব্দুল্লাহ বিন জাহিদের পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ক্যান্সারে আক্রান্ত ছোট ছেলে মাহমুদুল্লাহ বিন জিসানকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন শহীদের মা ফাতেমা তুজ জোহরা। এ সময় তিনি পরিবারের সার্বিক পরিস্থিতির কথা শুনে ফাতেমা তুজ জোহরাকে চাকরির আশ্বাস দেন।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আব্দুল্লাহ বিন জাহিদের মা ফাতেমা তুজ জোহরা। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ক্যান্সারে আক্রান্ত ছোট ছেলে মাহমুদুল্লাহ বিন জিসান। তাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন।
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাহমুদুল্লাহ বিন জিসানের বর্তমান শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং তার চিকিৎসার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চান। একই সঙ্গে শহীদের মা ফাতেমা তুজ জোহরাকে একটি চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাস দেন।
জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন ফাতেমা তুজ জোহরার বড় ছেলে আব্দুল্লাহ বিন জাহিদ। সেই ঘটনার মাত্র দুই সপ্তাহ পর পরিবারের আরেক সদস্য মাহমুদুল্লাহ বিন জিসানের ক্যান্সার ধরা পড়ে। এরপর সাত মাসের মাথায় স্বামীকেও হারান ফাতেমা তুজ জোহরা। একের পর এক শোক ও সংকটে পরিবারটি চরম দুর্দশার মধ্যে পড়ে।
ক্যান্সারে আক্রান্ত সন্তানের ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হিমশিম খাচ্ছিল পরিবারটি। এমন পরিস্থিতিতে বিএনপির চেয়ারম্যান এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাদের পাশে দাঁড়ান। সে সময় তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহ্বায়ক, বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমানের তত্ত্বাবধানে মাহমুদুল্লাহ বিন জিসানের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।
এছাড়া আতিকুর রহমানের মাধ্যমে নিয়মিত জিসানের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতেন তারেক রহমান। সেই ধারাবাহিকতায় এখনো প্রধানমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানেই মাহমুদুল্লাহ বিন জিসানের চিকিৎসার সার্বিক ব্যবস্থাপনা চলমান রয়েছে।
