প্রযুক্তি সাংবাদিকতায় বাংলাদেশ-রাশিয়ার সহযোগিতা বাড়াতে টিএমজিবি-রুশ হাউসের বৈঠক

বাংলাদেশ ও রাশিয়ার প্রযুক্তি সাংবাদিকতা এবং গণমাধ্যম খাতে পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যে ঢাকার রুশ হাউসে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছে টেকনোলজি মিডিয়া গিল্ড বাংলাদেশ (টিএমজিবি)। বৈঠকে দুই দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং পেশাগত সহযোগিতার বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

টিএমজিবি সভাপতি মোহাম্মদ কাওছার উদ্দীনের নেতৃত্বে সংগঠনটির কার্যনির্বাহী কমিটির একটি প্রতিনিধি দল রুশ হাউসের পরিচালক আলেকজান্দ্রা এ. খলেভনয়ের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেয়। প্রতিনিধি দলে ছিলেন টিএমজিবির সহসভাপতি কুমার বিশ্বজিৎ রায় ও মইদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মুরসালিন হক জুনায়েদ, কোষাধ্যক্ষ মাহাদী হাসান শিমুল, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম দাস্তগীর তৌহিদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নাজনীন আক্তার লাকী এবং নির্বাহী সদস্য নাজমুল হোসেন ও রহিম শেখ।

আলোচনায় বাংলাদেশ ও রাশিয়ার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সাংবাদিকতা এবং গণমাধ্যমের মধ্যে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিভিন্ন দিক উঠে আসে। দুই দেশের সাংবাদিকদের জন্য যৌথ কর্মশালা, মাস্টারক্লাস, পেশাগত প্রশিক্ষণ এবং দক্ষতা উন্নয়নমূলক কর্মসূচি আয়োজনের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে উভয় পক্ষ।

এ ধরনের কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার আগ্রহের কথা জানায় রুশ হাউস। একই সঙ্গে দুই দেশের গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি পেশাগত সম্পর্ক তৈরির সম্ভাবনাও আলোচনায় গুরুত্ব পায়।

বৈঠকে রুশ হাউসের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে টিএমজিবি প্রতিনিধিদের অবহিত করেন আলেকজান্দ্রা এ. খলেভনয়। রাশিয়া সরকারের বৃত্তিতে উচ্চশিক্ষার সুযোগ, রুশ ভাষা শেখার বিভিন্ন কার্যক্রম এবং আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠান ও স্বল্পমেয়াদি কর্মসূচিতে বাংলাদেশি শিশু, তরুণ ও পেশাজীবীদের অংশগ্রহণের সুযোগ নিয়েও আলোচনা করেন তিনি।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সাংবাদিকদের পেশাগত সক্ষমতা বাড়ানো এবং দুই দেশের গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যৌথ উদ্যোগে প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য কর্মসূচি আয়োজনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন বৈঠকে অংশ নেওয়া প্রতিনিধিরা।

টিএমজিবির প্রতিনিধি দলের সদস্যরা রুশ হাউসের বিভিন্ন উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের যোগাযোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার প্রযুক্তি সাংবাদিকতা এবং গণমাধ্যম খাতের মধ্যে পেশাগত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।